তালিবানের পাশে চিন, নতুন সরকারকে স্বীকৃতি দিতে নারাজ হোয়াইট হাউস

0
14

নতুন সরকার গঠন করেছে তালিবানরা। তবে সেই সরকারকে এখনই স্বীকৃতি দিতে নারাজ হোয়াইট হাউস। এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, নতুন তালিবান সরকারকে এখনই স্বীকৃতি নয়। তার আগে ওদের অনেক কিছু প্রমাণ করে দেখাতে হবে। অন্যদিকে তালিব সরকারের পাশে দাঁড়াল চিন। বুধবার আফগানিস্তানের প্রতিবেশী দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই জানিয়েছেন, আফগানিস্তানের নতুন সরকারকে আর্থিক সাহায্য করবে তারা।

আরও পড়ুন:‘আফগানিস্তানের মেয়েদের ক্রিকেট খেলতে না দিলে,ছেলেদের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ নয়’: ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া

তালিবান সরকারকে আদও স্বীকৃতি দেওয়া হবে কিনা তা নিয়ে এখনো ধন্দে রয়েছে গোটা বিশ্ব। এরই মধ্যে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি জানিয়েছেন, নতুন তালিবান সরকারকে এখনই স্বীকৃতি দিতে রাজি নন তারা। তার আগে ওদের অনেক কিছু প্রমাণ করে দেখাতে হবে। আপাতত যুদ্ধ বিধ্বস্ত আফগানিস্তান থেকে মার্কিন নাগরিকদের দেশে ফেরানোটাই সবথেকে জরুরি বলে মনে করছে বাইডেন সরকার। সেজন্য আফগানিস্তানে আটকে পড়া নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফেরাতে তালিবানদের সঙ্গে কথা চলছে মার্কিন প্রশাসনের। বিশ্বের কাছে তালিবানরা কোনও সম্মান অর্জন করেছে বলে মনে করেন না মার্কিন প্রসিডেন্ট।

অন্যদিকে, প্রথম থেকেই তালিবানের পাশে দাঁড়িয়েছিল চিন ও পাকিস্তান। সরকার গঠনের পর  চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই জানিয়েছেন, আফগানিস্তানের নতুন সরকারকে ৩ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার আর্থিক সাহায্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেজিং। এছাড়াও নতুন তালিবান সরকারে প্রাথমিক সাহায্য হিসেবে কাবুলে করোনা টিকার ৩০ লাখ ডোজ পাঠাবে চিন। এদিনের বৈঠকের আহ্বায়ক ছিল পাকিস্তান। বৈঠকে চিন ও পাকিস্তান ছাড়াও উপস্থিত ছিল ইরান, তাজাকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান এবং উজবেকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীরাও।

চিনের এই বৈঠকে উপস্থিতির পেছনে বেজিংয়ের ব্যক্তিগত স্বার্থ লুকিয়ে রয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিল আমেরিকা। মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন চিনকে একহাত নিয়ে বলেছিলেন, “তালিবানের সঙ্গে সত্যিই সমস্যা রয়েছে চিনের। ওরা নিশ্চয়ই চাইবে, তালিবানের সঙ্গে কোনওরকম সমঝোতায় আসার। এই বিষয়ে আমি নিশ্চিত। একইভাবে পাকিস্তান ও রাশিয়াও চেষ্টা চালাবে। ওরা সকলেই কী করা উচিত, তা বোঝার চেষ্টা করছে।”

advt 19