ত্রিপুরার(Tripura) মাটিতে সকাল থেকে একের পর এক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির শেষে বিকেলে জামিন পেয়েছেন দেবাংশু, সুদীপ, জয়া সহ ১৪ তৃণমূল যুব নেতা কর্মী। একদিকে যখন তৃণমূল(TMC) নেতাদের আদালতে তোলা হচ্ছে অন্যদিকে তখন খোয়াই থানায় অবস্থানে ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Abhishek Banerjee)। জামিল মেলার পর খোয়াই থেকে আদালতের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। সেখানেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কড়া সুরে জানালেন, “বিপ্লববাবুর শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। ১৭ মাস পর ত্রিপুরার মাটি থেকে বিজেপিকে উপড়ে ফেলবে তৃণমূল।”
এদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “বিজেপির সরকার যদি ভাবে গাড়ি ভেঙে তৃণমূলকে আটকে রাখবে, তাহলে মূর্খের স্বর্গে বাস করছে। এরা যত তৃণমূলের উপর আঘাত করবে, তত তৃণমূলের জেদ বাড়বে। ভারতের আইন কেন ত্রিপুরায় প্রয়োগ হবে না? আমাদের সহকর্মীদের গ্রেফতার করছে। অথচ জায়গায় জাগায় বিজেপির দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করছে, তা পুলিশ চোখে দেখতে পারছে না।” এরপর ঝাঁঝালো সুরে তিনি বলেন, “বেশি দিন এই সব চলবে না। বিপ্লব দেবের শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। বিজেপিকে কীভাবে হারাতে হয়, তৃণমূল তা জানে। এই ১৭ মাস যেভাবে লড়তে হয় তৃণমূল লড়বে। আর বিজেপিকে উপড়ে ফেলবে।”
আরও পড়ুন:জাহাজের কন্টেনার দিয়ে ঢেকে দেওয়া হল দিল্লির ঐতিহাসিক লালকেল্লা
উল্লেখ্য, রবিবার খোয়াই থানায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের পর দফায় দফায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয় ত্রিপুরাতে। তৃণমূল নেতাদের পাশে দাঁড়াতে সকালেই খোয়াই থানার উদ্দেশ্যে রওনা দেন ব্রাত্য বসু, দোলা সেন, কুণাল ঘোষ। তাদের পর খোয়াই থানায় আসেন খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশের সঙ্গে একতরফা বচসা বাধে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের। এরই মাঝে আদালতে পেশ করা হয় ১৪ যুব তৃণমূল নেতাকে। সেখানে রীতিমতো মুখ পোড়ে বিপ্লব দেবের পুলিশের। আদালতের তরফে মূল মামলায় জামিন দেওয়া হয় ১৪ জনকেই। পরবর্তী সময় যে সমস্ত মামলা দায়ের করা হয়েছিল তা খারিজ করে দেওয়া হয়। তৃণমূল সূত্রের খবর আজ রাতেই বিশেষ বিমানে ১৪ জন যুব নেতা কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতা ফিরে আসছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।











































































































































