“আমাকে যত জুতোর মালা পরাবে, ততই ভোট বাড়বে বিজেপির”, দাবি রাজীবের

0
13

“বন্ধু” শুভেন্দুর (Suvendu Adhikary) পথ ধরেই বিজেপিতে (BJP) যোগ দিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় (Rajib Banerjee) তারপর থেকেই একের পর এক জনসভার তাঁর পুরোনো দল ও দলনেত্রীর বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দেগে চলেছেন রাজীব। এদিন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে (Baruipur) বিজেপির সভা তার ব্যতিক্রম ঘটলো না। একদিকে কেন্দ্রের মোদি (Modi) সরকারের প্রশংসা তো অন্যদিকে এতদিন যে মন্ত্রিসভায় তিনি ছিলেন, সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যাযয়ের (Mamata Banarjee) রাজ্য সরকারের নিন্দায় মুখর হলেন রাজীব।

এদিন রাজীব ফের দাবি করেন, “অমিত শাহ (Amit Sah) আমাকে বলেছেন, বাংলার জন্য স্পেশাল প্যাকেজ দেবেন। কেন্দ্রের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করেছে বলেই, রাজ্য সরকার প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান পায় না। তাই পশ্চিমবঙ্গ এমন একটি সরকার গড়া দরকার, যারা কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় রেখে চলবে। এবং সেটা একমাত্র পারে বিজেপি।”

এদিকে দলবদল করার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোস্টারে জুতোর মালা পরানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে। এদিন সেই প্রসঙ্গও নিজের বক্তৃতায় তুলে এনেছেন রাজীব। তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে প্রাক্তন বনমন্ত্রী বলেন, “তোমরা আমাকে যত জুতোর মালা পরাবে, মানুষ ততই বিজেপির গলায় ফুলের মালা পরাবে। আগামী দিনে মানুষের পাশে থাকবে একমাত্র বিজেপি। রাজ্যের অবস্থা কোথায় গিয়েছে। ভাবতে অবাক লাগে।”

পাল্টা তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায়ের কটাক্ষ, ”রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনীতিতে কোনও দিন ছিলেন না। তিনি তলা থেকে লড়াই করে উঠে আসেননি। প্রথমে বিধায়ক হন, তার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে ডেকে মন্ত্রী করেন। সেচ, বন দফতরের মতো বড় দফতরের দায়িত্ব দেন। এই সব পেয়েও তিনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। রাজীব যে কাজ করেছেন, তার ফল তিনি রাজনৈতিকভাবে পাবেন।”