যত তদন্ত এগোচ্ছে ততই সল্টলেকে যুবক খুনের ঘটনায় নৃশংসতার প্রমাণ সামনে আসছে। যা দেখে তাজ্জব গোয়েন্দা-পুলিশও। সল্টলেকের বাড়ির ছাদ থেকে যুবকের কঙ্কাল উদ্ধারের ঘটনায় অনুমান, বাড়ির ছাদেই পোড়ানো হয়েছে অর্জুন মাহেনসরিয়ার দেহ। আর সেই দুর্গন্ধ ঢাকতে একই সময় ওখানে ঘি আর কর্পূর পোড়ানো হয় বলে তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ।
সল্টলেকের এজে ব্লকের ২২৬ নম্বর মাহেনসরিয়াদের বাড়ি থেকে মিলেছে রক্তমাখা একটি নোড়া। অনুমান, ওইটিই খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র। নোড়া দিয়ে মাথায় আঘাত করেই খুন করা হয়েছিল অর্জুনকে। এরপর তিনতলার ছাদে দেহ পোড়ানো হয়। সেই গন্ধ আটকাতে ছাদে বড় কড়াইতে একই সময়ে পোড়ানো হয় কর্পূর ও ঘি। সেই গন্ধে দেহ পোড়ানোর দুর্গন্ধ চাপা পড়ে যায়। এরপরই বাকি দুই সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ছেড়ে, রাজ্য ছেড়ে চলে যান অভিযুক্ত গীতা মাহেনসরিয়া।
এই খুনের ঘটনায় মা গীতার সঙ্গে অর্জুনের ভাই বিদুরের যোগ থাকার প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। তবে তদন্ত যত এগোচ্ছে তাতে শুধু বিদুর নয়, গোটা ঘটনায় বোন বৈদেহীর যোগ রয়েছে বলেই অনুমান পুলিশের। তাঁর খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ।
ছাদ থেকে পাওয়া কঙ্কালটি অর্জুনের বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশ নিশ্চিত হলেও ডিএনএ টেস্টের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন-‘কিছু মন্ত্রী লোভী, চাহিদার কোনও শেষ নেই’, সাংসদ কল্যাণের পোস্ট ঘিরে তুমুল বিতর্ক


























































































































