আজ, শনিবার অগাস্ট সাপ্তাহিক লকডাউনের দ্বিতীয় দিন। করোনা মোকাবিলায় যাতে এই পূর্ণাঙ্গ লকডাউন বিধি সফলতা পায় তার জন্য শহর তথা রাজ্যজুড়ে সতর্ক-সজাগ প্রশাসন। রাস্তায় পুলিশের ছয়লাপ। চলছে নাকা চেকিং। অলিতে-গলিতে পুলিশি টহলদারি। উড়ছে ড্রোন। হচ্ছে মাইকিং।
মানুষ যেন অহেতুক বাড়ির বাইরে বের না হয় এবং কোথাও জমায়েত না হয়, সে বিষয়ের উপর নজর দিচ্ছে কলকাতা পুলিশ। ইতিমধ্যেই শহর কলকাতায় বেশ কতগুলি জায়গায় ড্রোন উড়িয়ে পুলিশ পরিস্থিতিতে নজর রাখছে। প্রথমে এসএন ব্যানার্জি রোডে কলকাতা কর্পোরেশনের সামনে ড্রোন উড়িয়ে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখে কলকাতা পুলিশ।এর মাধ্যমে একসঙ্গে বৃহত্তর পরিসরে জায়গা মনিটরের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়। তার ফলে যদি কোথাও মানুষকে বাড়ির বাইরে বের হতে দেখা যায় তৎক্ষণাৎ পুলিশ আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে।
এছাড়াও এদিন নিউমার্কেট থানা এলাকায় ডরিনা ক্রসিং-এর সামনে ড্রোন ওড়াতে দেখা যায় কলকাতা পুলিশকে। পাশাপাশি, যে সমস্ত গাড়ি চলাচল করছে রাস্তা দিয়ে তাদেরকে প্রথমে আটকে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ। তারা কোথা থেকে আসছেন এবং কোথায় যাচ্ছেন ।তাদের বাইরে বেরোনোর কারণটা কী। জরুরি পরিষেবার বের হলে প্রয়োজনীয় নথি সঙ্গে আছে কিনা আর থাকলেও সেটা আসল নাকি ভুয়ো, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। যদি সদুত্তর পাওয়া যায় তাহলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।অন্যথায় যারা বাড়ির বাইরে বের হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছে।
ধর্মতলা চত্ত্বর ছাড়াও শ্যামবাজারের পাঁচ মাথার মোড়েও কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে ড্রোন ওড়ানো হয়। শ্যামবাজার মোড় কলকাতা শহরের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। বাড়ির বাইরে বেরোলে অযথা তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছে। ঠিক সেইভাবে কেউ যদি রাস্তায় বেরিয়ে মাস্ক না ব্যবহার করেন তাদের বিরুদ্ধেও পুলিশের তরফ থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এর পাশাপাশি যদি বাড়ির বাইরে কোনও জায়গায় বসে সাধারণ মানুষজন আড্ডা দেয়, তাদেরকে পুলিশ বাড়ি যেতে বলছে। আর প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ করোনা মোকাবিলার জন্য যে সাপ্তাহিক লকডাউনের ব্যবস্থা করা হয়েছে রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে তাকে সফল করতে কলকাতা পুলিশ একেবারে জোরকদমে ময়দানে নেমে পড়েছে।

























































































































