মহারাষ্ট্র কী হবে সে নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। সরকার গড়তে শিবসেনাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন রাজ্যপাল ভগৎ সিং। কিন্তু শিবসেনা সংখ্যাগরিষ্ঠতা জোগাড় করবে কোন উপায়ে? কংগ্রেস এবং এনসিপি কী পাশে দাঁড়াবে? এটাই এখন কোটি টাকার প্রশ্ন। কংগ্রেস যদিও পরিষ্কারভাবে বলেছে তারা বিরোধী আসনে বসতে চায় কিন্তু নির্বাচনের ফলাফলের পরেই তারা বলেছিল শিবসেনার সঙ্গে তখনই কথা হতে পারে যদি তারা বিজেপি ছেড়ে আসে। অর্থাৎ তাদের ২৮ বছরের জোটসঙ্গী বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে। অন্যদিকে এনসিপি কংগ্রেসের কথার প্রতিধ্বনি করেছে। অর্থাৎ কংগ্রেসের জোট প্রাথমিকভাবে চাইছে বিজেপিকে ছেড়ে শিবসেনা আগে মহারাষ্ট্রের বুকে একা দাঁড়াক, তারপর সমর্থনে প্রশ্ন আসবে। নূন্যতম কর্মসূচির প্রশ্ন আসবে। সম্ভবত সেই ফরমুলাতে এগোচ্ছেন উদ্ধব ঠাকরে। সোমবার সকালে শিবসেনার একমাত্র কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিজেপি সরকার থেকে পদত্যাগ করেছেন। অরবিন্দ সাওয়ান্ত মোদি মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করে বলেছেন বিজেপির তাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। মহারাষ্ট্রে যা হয়েছে তা ভোলার নয়। তাই দিল্লির সরকারে থাকার আর কোনও প্রয়োজন নেই। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় মহারাষ্ট্রের চালচ্চিত্রর যে অনেকটাই বদলাবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।




























































































































