পথ দুর্ঘটনায় রাশ টানতে উদ্যোগ! ড্রাইভিং ট্রেনিং সেন্টার গড়ে তুলছে রাজ্য

0
2

পথ দুর্ঘটনায় রাশ টানতে রাজ্য সরকারের প্রস্তাবিত গাড়িচালকদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খুব শীঘ্রই দরজা খুলে দিচ্ছে। দক্ষিণ কলকাতার বেহালায় প্রস্তাবিত ওই কেন্দ্র তৈরীর কাজ শেষের পথে। চলতি বছরের শেষের দিকেই প্রশিক্ষণের কাজ শুরু হবে বলে পরিবহণ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। জানা গেছে রিজিওনাল ড্রাইভার ট্রেনিং সেন্টার তৈরির ৮০ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে এখানে সব ধরনের আধুনিক সুযোগ–সুবিধা থাকবে। আরএফআইডি (রেডিয়ো ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন) প্রযুক্তির সাহায্যে ড্রাইভিং টেস্ট নেওয়া হবে। থাকবে ভিডিয়ো রেকর্ডিংয়ের ব্যবস্থা। থিওরি এবং প্র্যাকটিক্যাল, দু’রকমই ক্লাসের ব্যবস্থা থাকবে। যাঁরা ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ নিতে আসবেন, তাঁদের থাকার জন্য হস্টেলের সুবিধাও থাকছে।

পরিবহণ দফতরের এক আধিকারিক জানান, গাড়ি চালানো ছাড়াও একজন আদর্শ ড্রাইভার হওয়ার জন্য যে সব বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা দরকার সেগুলো সম্পর্কে ধারনা তৈরি করার জন্য নতুন সিলেবাস তৈরি করা হচ্ছে। এর মধ্যে যে বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে, বিহেভিয়েরাল প্র্যাক্টিসেস এবং স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ডিফেন্সিভ ড্রাইভিং টেকনিক্স, ইমার্জেন্সি হ্যান্ডলিং টেকনিক, কার মেনটেন্যান্স ও জ্বালানি সাশ্রয়, পরিবেশ ও দূষণ এবং কেস স্টাডির মাধ্যমে কোন কোন কারণে দুর্ঘটনা ঘটে সেটা ভালো করে উপলব্ধি করতে পারবেন শিক্ষনবিশ চালকরা।

নবান্নের এক কর্তা জানিয়েছেন, কেন্দ্রের নির্দেশিকা মেনেই বেহালায় আধুনিক মানের ডাইভিং ট্রেনিং সেন্টার তৈরি হচ্ছে। এখানে যাঁরা প্রশিক্ষণ দেবেন তাঁদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ। এছাড়াও ড্রাইভিংয়ে কম করে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। মোটর মেকানিকসের সার্টিফিকেট অথবা মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ড্রিগ্রি অথবা ডিপ্লোমা থাকতে হবে। আগামী দিনে, প্রতিটি জেলা সদরে একটি করে ড্রাইভিং ট্রেনিং সেন্টার বানানো হবে। এগুলি পরিচালিত হবে পিপিপি মডেলে।

আরও পড়ুন – এবার দিল্লিতেও `লক্ষ্মীর ভাণ্ডার`! সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে থাকছে বাংলার ট্যাবলো

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_