বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় সিবিআই আদালতে সাক্ষ্য দিলেন বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা তথা প্রাক্তন উপপ্রধানমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আদবানি। লখনউয়ের বিশেষ আদালতের করা টানা সাড়ে চার ঘন্টার প্রশ্নোত্তর পর্বে ১০০টি প্রশ্নের মুখোমুখি হলেন আদবানি। তবে গোটা পর্বটি হয়েছে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। সকাল ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে তিনটে পর্যন্ত এই প্রশ্নোত্তর পর্ব চলে। উল্লেখ্য আগামী ৫ অগাস্ট অযোধ্যা রাম মন্দির নির্মাণের শিলান্যাস করবেন প্রধানমন্ত্রী।
সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যে নির্দেশ দিয়েছে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের সঙ্গে অভিযুক্ত ৩২ জনের শুনানি ৩১ অগাস্টের মধ্যে করতে হবে। সেই কারণেই দ্রুততার সঙ্গে সিবিআইয়ের শুনানি পর্ব শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে উমা ভারতী, কল্যান সিংহ আদালতে হাজিরা দিয়েছেন। ৮৬ বছরের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুরলী মনোহর যোশী বৃহস্পতিবার ভিডিও কনফারেন্সে সাক্ষ্য দিয়েছেন, আর শুক্রবার দিলেন ৯২ বছরের আদবানি। যোশীর মতোই আদবানিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেছেন। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের সময় ঘটনাস্থলের কাছেই ছিলেন আদবানি এবং যোশী। তাঁদের প্ররোচনায় বাবরি ধ্বংসের অভিযোগ। যদিও তাঁরা সে দাবি মানতে নারাজ। মূলত রাম জন্মভূমি আন্দোলনকে সামনে রেখে ২ জন সাংসদ থেকে বিজেপির আজকের এই পরিণতি। অটলবিহারী বাজপেয়ী প্রধানমন্ত্রী হলেও অনেকেই মনে করেন আদবানির নেতৃত্বে রাম জন্মভূমি আন্দোলন না হলে মোটেই বিজেপি ক্ষমতায় আসতে পারতো না। সেই আন্দোলনের মূল দুই মুখ আদবানি এবং যোশীকে শাস্তির মুখে পড়তে হলে মুখ পুড়বে বিজেপির। তাই যোশী এবং আদবানি সিবিআইয়ের মুখোমুখি হওয়ার আগেই দুঁদে আইনজীবীদের নিয়ে তাঁদের বাসভবনে চলে গিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দেখার বিষয় এর পরিণতি কী হয়!































































































































