করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা প্রায় ১৫০০ ছুঁতে চলেছে। চিনে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৬৪ হাজার। বৃহস্পতিবার, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে মৃত্যু হয়েছে আরও ১২১ জনের। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৪৮৩। আরও ৫০৯০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। কিন্তু যে বিশেষ কিট দিয়ে পরীক্ষা করে ভাইরাস ধরা পড়ছিল, চিনে সেই কিটের সঙ্কট দেখা দিয়েছে বলে সূত্রের খবর।
বিশেষ ‘কিট’ দিয়ে পরীক্ষা করার পরে, শরীরে ভাইরাস ধরা পড়লেই সেই ব্যক্তিকে আক্রান্ত হিসেবে ঘোষণা করা হচ্ছিল। কিন্তু সঙ্কট দেখা দিয়েছে সেই কিটের। ফলে বিকল্প ব্যবস্থা চালু করেছে প্রশাসন। বুধবার থেকে সিটি স্ক্যানের রিপোর্টকে গ্রাহ্য করা হচ্ছে। এরপরই উহানে কয়েক হাজার মানুষের আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বেড়েছে মৃতের সংখ্যাও। যদিও দেশের অন্য শহরগুলিতে বর্তমানে আক্রান্ত বা মৃতের সংখ্যা কত তার সর্বশেষ তথ্য নেই প্রশাসনের কাছে।
নতুন পরিসংখ্যান সামনে আসার পর আরও কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে চিন সরকার। হুবেই ঢুকতে জারি করা হয়েছে নতুন নির্দেশিকা। ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করছেন এমন মানুষ ছাড়া বাকিদের ঘর থেকে বেরোনো একেবারে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
তবে শুধু চিন নয়, আতঙ্কে ছড়িয়েছে সারা বিশ্বে। আক্রান্ত হয়েছেন অনেকে। জাপান সরকারিভাবে স্বীকার করে নিয়েছে যে, তাদের দেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। জাপানে এক ট্যাক্সি চালকেরও আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর। চালক জানিয়েছেন, তিনি কিছুদিন আগে এক চিনা নাগরিককে গন্তব্যে পৌঁছে দিয়েছিলেন। জাপানের উপকূলের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা জাহাজে বৃহস্পতিবার নতুন করে ৪৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
ইউরোপ থেকে নবম ব্যক্তির আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। তিনি লন্ডনের বাসিন্দা। পরিস্থিতি সামাল দিতে বৈঠকে বসছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশও।
Sign in
Welcome! Log into your account
Forgot your password? Get help
Password recovery
Recover your password
A password will be e-mailed to you.






























































































































